ঢাকা   ২৭ অক্টোবর ২০২১ | ১২ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

হালুয়াঘাট স্থলবন্দর উন্নয়ন কাজে গরমিল

Logo Missing
প্রকাশিত: 01:43:33 pm, 2021-01-13 |  দেখা হয়েছে: 1 বার।

মুহাম্মদ মাসুদ রানা, হালুয়াঘাটঃ গারো পাহাড়ের পাদদেশে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সীমান্ত ঘেঁষা উপজেলা হালুয়াঘাট। এই উপজেলায় রয়েছে দু’টি স্থলবন্দর। একটি গোবরাকুড়া এবং অন্যটি কড়ইতলী। ২০১২ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর তৎকালীন নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান ও সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী এডঃ প্রমোদ মানকিন গোবরাকুড়া ও কড়ইতলী বন্দরকে পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর হিসেবে আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করেন। কাঙ্ক্ষিত এ দু’টি স্থলবন্দরকে একীভূত করে পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দরে উন্নীত করে গেজেট প্রকাশের পর সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে একটু দেরিতে হলেও উন্নয়ন কাজ শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, এ স্থল বন্দরের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ, বিজিবি ক্যাম্প, পুলিশ স্টেশন, কাস্টমস ভবন, ওয়্যার হাউজ, ব্যাংক এবং বহির্গমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের ল্যান্ডি পারমিট ভিসা অফিস স্থাপনের কাজসহ সর্বপরি বন্দর উন্নয়নের কাজ চলমান।

মেসার্স মাহাবুব এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স আলম বিল্ডার্স এবং ডিজে বাংলা নামক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো দুটি স্থলবন্দর উন্নয়নের কাজ পায়। কিন্তু সরেজমিনে দেখা যায়, সংশ্লিষ্ট কাজের নেই কোন "কাজের সংক্ষিপ্ত বিবরণীসহ সাইনবোর্ড", বন্দর কর্তৃপক্ষের নেই সঠিক তদারকি আর ইয়ার্ড ভরাট করতে বালুর পরিবর্তে দেওয়া হচ্ছে শতশত ট্রাক মাটি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বন্দর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সাইট ইন্জিনিয়ার পরিচয়দানকারী জনৈক মুর্শেদ আলম জানান, ইয়ার্ড ভরাট করতে বালু ব্যবহারের আদেশ থাকলেও ভুলবশত কিছু মাটি চলে এসেছে। ভবিষ্যতে এমনটি আর হবে না। আর "কাজের সংক্ষিপ্ত বিবরণীসহ সাইনবোর্ড" এখনো লাগানো হয়নি।

এ বিষয়ে বন্দর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী ধীরেন্দ্র নাথ সরকারের সাথে কথা বলার জন্য মুঠোফোন নাম্বার চাইলে তিনি দিতে অস্বীকৃতি জানান। একটি সূত্র থেকে জানা যায়, স্থলবন্দরটির জমি অধিগ্রহণ ও উন্নয়ন কাজের জন্য সরকার ৬৭ কোটি ২২ লাখ বরাদ্ধ করে। জানুয়ারি ২০১৮ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ সালের মধ্যে এই উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে তা শেষ হয়নি। বর্তমানে সমগ্র উন্নয়ন কাজের মাত্র ৫০ ভাগ শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রেজাউল করিম বলেন, স্থলবন্দর দুটির উন্নয়ন প্রক্রিয়া চলমান। তবে দরপত্রের আদেশ অনুযায়ী কাজ না হলে উর্দ্ধতন কতৃপক্ষকে অবহিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।