ঢাকা   সোমবার ২৬ অক্টোবর ২০২০ | ১১ কার্তিক ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

নালিতাবাড়ীতে এক সাংবাদিক এর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

Logo Missing
প্রকাশিত: 01:11:24 pm, 2020-06-07 |  দেখা হয়েছে: 381 বার।

নালিতাবাড়ী : শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় কর্মরত একটি স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকার সাংবাদিক এর বিরুদ্ধে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে গত ১৮ মার্চ ওই নারী আদালতে মামলা দায়ের করেন। বর্তমানে মামলাটির ব্যাপারে পুলিশ তদন্ত করছে।
ধর্ষণের শিকার নারী ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার রুপনারায়কুড়া ইউনিয়নের ওই নারীর বাড়ি। দীর্ঘ দিন ধরে ওই নারীর সাথে সাংবাদিক এর যোগাযোগ হয়। পরবর্তীতে ওই সাংবাদিক ওই নারীর বাড়িতে যাওয়া আসা করতেন এবং ওই নারীকে দিয়ে বিভিন্ন মানুষকে ব্লাকমেইল করাতেন। অভিযোগকারী নারীর অভিযোগ ওই সাংবাদিক তাকে প্রায় প্রায়ই কুপ্রস্তাব দিতেন। ওই নারী কুপ্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় গত ১৫ মার্চ সকালে সাংবাদিক ওই নারীর বাড়ি যান। বাড়ির সবাইকে কাজে থাকার সুযোগে ওই নারীকে একা পেয়ে তাকে জোড়পূর্বক ধর্ষণ করেন। পরে দ্রুত বাড়ি থেকে সাংবাদিক সরে পরেন। ওই নারী ধর্ষণের বিচার দাবী করে গত ১৬ মার্চ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোকছেদুর রহমান লেবুর কাছে আসেন। চেয়ারম্যান তাকে আইনগত পদক্ষেপ নিতে পরামর্শ দেন। মেয়েটি গত ১৮ মার্চ শেরপুর নারী ও শিশু নির্য়াতন আদালতে ধর্ষণের অভিযোগ এনে ওই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করেন। বিজ্ঞ আদালত বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখতে নালিতাবাড়ী থানাকে নির্দেশ প্রদান করেন। পুলিশ ওই নারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে এবং মেডিকেল পরীক্ষাও সম্পন্ন করেছে বলে জানা গেছে। সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ থাকায় উপজেলার অধিকাংশ সাংবাদিক নিরব রয়েছেন বলে ওই নারী অভিযোগ করেন।
ওই নারী সাংবাদিকদের বলেন, আমি যদি আপনাদের বোন হতাম তা হলে এই ভাবে একজন তাকে আপনারা কি ছেড়ে দিতেন ? আমাকে দিয়ে বিভিন্ন মানুষকে ঠকিয়েছে। আমি না বুঝে এসব করেছি... এই দূর্বলতার সুযোগ নিয়ে আমাকে বাড়িতে একা পেয়ে জোড়পূবক ধর্ষণ করেছে। আমি আদালতে ওই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করেছি। পুলিশ বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছেন।
উপজেলা চেয়ারম্যান মোকছেদুর রহমান লেবু বলেন, একজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে এক নারী ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে এসেছিলেন। ধর্ষণের অভিযোগ থাকায় আইনগত পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। আমরা সবাই আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। কেউ আইনের বাহিরে নয়। আমি চাই অপরাধী যেই হোক না কেন, অপরাধী হলে সাজা তাকে পেতেই হবে।
নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বছির আহমেদ বাদল বলেন, বিষয়টি তদন্তধীন আছে।