ঢাকা   শনিবার ০৪ জুলাই ২০২০ | ২০ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

সাংবাদিক মনিরের উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে করা সংবাদের প্রতিবাদ

Logo Missing
প্রকাশিত: 11:18:46 am, 2020-06-05 |  দেখা হয়েছে: 14 বার।

নালিতাবাড়ী: গত ০৪ মে বাংলার কাগজটুয়েন্টিফর.কম অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত “নালিতাবাড়ীতে স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগে প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত, তদন্ত কমিটি গঠন” শিরোনামে নিউজটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। শিরোনাম প্রধান শিক্ষক হলেও মূল নিউজে বার বার কম্পিউটার ব্যবসায়ীরকে হেয় প্রতিপন্ন করা ও ব্যবসায়িক ভাবে ক্ষতি করার জন্যই উঠে এসেছে। উল্লেখিত সাংবাদিক হিংসাত্মক মনোভাব নিয়ে আমাকে ব্যবসায়িক ভাবে ক্ষতি করার উদ্দেশ্য সংবাদটি করেছে।  ব্যবসার পাশাপাশি আমি সাংবাদিকতার পেশায়ও জড়িত আছি। একসময় সাংবাদিক মনিরের গড়া রিপোর্টাস ক্লাবের সদস্য ছিলাম। কিন্তু যখন দেখলাম সমাজে তার গ্রহণযোগ্যতা নেই বললেই চলে, নারী লোভী, চরিত্রহীন বলে যাকে সবাই চেনে তার সঙ্গে থাকাটা বেমানান মনে হলো। তাই আমি, সুরুজ্জামান ও মোমেন একযোগে রিপোটার্স ক্লাব থেকে পদত্যাগ করে প্রেসক্লাব নালিতাবাড়ীতে সদস্য হওয়ার জন্য সভাপতির বরাবর আবেদন দিলাম। প্রেসক্লাব আমাদের সাদরে গ্রহণ করল। প্রেসক্লাবে যোগদান করার কয়েকদিন পর বন্দনা চাম্বুগং মনিরের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে একটি সংবাদ সম্মেলন করল। সেই সংবাদ সম্মেলনের নিউজ অন্যান্য সাংবাদিকের মত আমিও করলাম। এ নিয়ে সে অনেক জায়গায় আমাকে দেখে নিবে হুমকিও দিয়েছে এবং সুযোগ খুজতে থাকে। যার ফলশ্রতিতে সে এ খবরটি প্রকাশ করে। এখন আসি প্রধান শিক্ষকের কথায়- নালিতাবাড়ী উপজেলায় মোট ৭ টি প্রতিষ্ঠান এমপিও (স্তর পরিবর্তনসহ) ভুক্ত হয়। প্রায় ৪০ জন শিক্ষকের এমপিও আবেদন করার জন্য সময় পাওয়া যায় মাত্র ৩ দিন। এমপিও আবেদন একজন শিক্ষকের প্রায় ৫০/৬০ টি পেপারস লাগে। ৩ দিন ৩ রাত ঘুম জেগে আমি এমপিও আবেদনগুলো অনলাইনে করে দেই। এমপিও আবেদনে মাত্র একটি ফরমে সভাপতির স্বাক্ষর প্রয়োজন হয়। এর মধ্যে বনকুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫ জন শিক্ষক/কর্মচারীর আবেদন করি। যার মধ্যে তিনজনের এমপিও ফরমে প্রতিষ্ঠানের সভাপতি গোপাল সরকার স্বাক্ষর দিয়ে দেন। বাকী দুজন শিক্ষকের স্বাক্ষর সভাপতি কর্তৃক নিতে ব্যর্থ হয়ে আমাকে প্রধান শিক্ষক রিকোয়েস্ট করে স্ক্যান করে দিয়ে দিতে। আমি স্বাক্ষর স্ক্যান করতে অপারগতা প্রকাশ করি। পরবর্তীতে আবেদন করার শেষ মুহুর্তে তারা গোপাল সরকারের স্বাক্ষর অন্য ফরম থেকে কেটে এনে অত্যন্ত সুচারুভাবে আঠা দিয়ে বসিয়ে আমার কাছে এনে স্ক্যান করে যা আমার দৃষ্টিগোচর হয়নি। যার প্রমাণ ইতিমধ্যে নালিতাবাড়ী মাধ্যমিক শিক্ষক সমবায় সমিতির সম্পাদক মোঃ তৌহিদুল ইসলাম খোকনের মাধ্যমে বিদালয়ের সভাপতির নিকট স্বাক্ষর জালিয়াতির আসল প্রমান পৌছানো হয়েছে। যা দেখলে আসল তথ্য বেরিয়ে আসছে। তাছাড়া উল্লেখিত প্রধান শিক্ষক সাংবাদিকের কথার চাপাচাপিতে নিজের পিঠ বাঁচাতে কম্পিউটার ব্যবসায়ীর নাম উল্লেখ করলেও তার দেওয়া শোকজ নোটিশের জবাবে একবারই কম্পিউটার ব্যবসায়ী কথা উল্লেখ করেনি। এর কিছুদিন পর উল্লেখিত প্রধান শিক্ষক আমাকে বলে যে, ‘আপনার তো কিছু হবে না, স্বাক্ষর জালিয়াতির দায় টা আপনিই নেন.. কিছু পোশাইয়া দিমুনে।” আমি তাৎক্ষনিক উল্লেখিত প্রধান শিক্ষককে শাসিয়ে দিয়েছি-ভবিষ্যতে এ ধরনের কথা যেন না বলে। সবশেষে উল্লেখিত সাংবাদিক তার উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে এবং একজন কম্পিউটার ব্যবাসায়ীর সাথে হিংসাত্মক মনোভাব নিয়ে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করা ও ব্যবসায়িক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করার উদ্দেশ্যেই এই সংবাদ প্রকাশ করেছে। আসল সত্য তদন্ত প্রতিবেদনে বেরিয়ে আসবে। শুধু একটু সময়ের অপেক্ষা মাত্র।  আমি  উক্ত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ করছি এবং নারী লোভী ও চরিত্রহীন সাংবাদিকের শাস্তি দাবী করছি। 

Image Not Found!
Image Not Found!
Image Not Found!
Image Not Found!
Image Not Found!