ঢাকা   সোমবার ২৬ অক্টোবর ২০২০ | ১১ কার্তিক ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

প্রসঙ্গ, প্রেসক্লাব, নালিতাবাড়ী, শেরপুর : তারা কথা রেখেছে... ধণ্যবাদ জ্ঞাপন ও কিছু কথা---- মাহফুজুর রহমান সোহাগ

Logo Missing
প্রকাশিত: 09:04:40 pm, 2020-03-20 |  দেখা হয়েছে: 2 বার।

যে কথা সকলকে অবগত করতে চাই, সেটা হল, কখনও ফুল পাপড়ির পথ আবার কখনও কন্টকময় পথ পাড়ি দেওয়ার অভিজ্ঞতা আমার হয়েছে। জীবনের বেশির ভাগ সময় কাচ বিছানো পথ আর জরাজীর্নকে ডিঙ্গিয়ে সাংবাদিকতা জীবনের কঠিন পথ অতিক্রম করে মানুষের মাঝে পরিচিতি অর্জন করার চেষ্টা করেছি ।

তারপরও মসৃন পথ ও সময় আমার জীবন সময়ে খুব কম বয়ে যায়। মসৃন পথ এটা জানি কেন হয় না। এরই মাঝে অনেক মানুষের সাথে চলার সৌভাগ্যও আমার হয়েছে। চিনেছি অনেককে । কার মন কি বলতে চায় তার অনেকটা অনুমান বুধহয় সাংবাদিকতা করার কারনেই সেটা বুঝে নিয়েছি আবার সে অনুমেয়টা বলতে হবে বিধাতা প্রদত্তও বটে। ২০ বছরে সাংবাদিকতা করতে গিয়ে যে ইতিহাস সেটা পরে বলবো ।

প্রায় মাস ৬ আগের কথাই আপনাদের জানাতে চাই, আমাকেসহ আরো কয়েকজনকে আমাদের প্রেসক্লাব সহকর্মীগন (বিদ্রোহী গ্রুপ) আমাকেসহ প্রেসক্লাব, নালিতাবাড়ীতে আসার আহবান জানিয়ে বললেন, আপনারা কয়েজন মিলে আমাদের সভাপতি বরাবর একটা আবেদন দেন আমরাই বিষয়টা দেখবো এবং আপনারা আমাদের সহযোগিতা করুন। যথারীতি সেটা করলামও। কিন্তু সেখানে দেখালাম আমাদের জটিল পথে বিদেশ গমনের মত অবস্থায় পথ পেরুতে হবে। বিষয়টি আমার ভাল লাগেনি। ভাবলাম কাজটি কি ঠিক করছি কি না। পরে হিসাব করে দেখালাম । ঠিকানা যেহেতু এক জায়গায়্ তাহলে পথ চলতে শুরু করি। গিয়ে দেখি অপ্র্ত্যাশিত সাংবাদিকের ভিড় । আবার দ্বিধা দ্বন্ডে পড়লাম। সন্দেহ মনটাকে বিষন্ন করে ফেললো। বিকেরে সাথে প্রশ্ন বিদ্ধ হয়ে যাচ্ছি।  তার পরও......

দু একদিন পরেই বিদ্রোহীগ্রুপ ওই অপ্রত্যাশিত সাংবাদিকগনকে নিয়ে যা আমরা কখনও তাকে এখানে আমাদের সাথে তাদের জরানোর কথা ভাবিনা। তাকে নিয়ে আমাদের সাথে মিশিয়ে প্রেসক্লাব সদস্য বানিয়ে বিদ্রোহী গ্রুপ একটা জটিল অংকের হিসাব কষলো। যা আমি বিষয়টি ভাল ভাবে নেইনি এবং আমি পরের দিনই সেটা প্রত্যাখান করি এবং বলি আমি যদি সদস্য নাও হই তবুও আপনারা সবাই মিলে মিশে থাকেন।আরো অনেক কথা।  আমি বিদ্রোহী গ্রুপ থেকে বিদায় নিলাম। আসলে এগুলি শেষ হয় না।

পরের দিন আমার সহকর্মীবৃন্দ ও আমাদের সিনিয়র সাংবাদিক ভাইদের আহবানে প্রেসক্লাব, নালিতাবাড়ীতে একসাথে থাকতে হবে এটাই শেষ কথা, বলে আমার বিষয়টা ওরাই চুড়ান্ত করে। আমি ভালর সাথে থাকবো সেটাও নিশ্চিত করলাম। শুরু করলাম নতুন পথ চলা। আমরা তোমাদের নিব। কথা দিলাম। তাদের কথায় আশ্বস্ত হলাম। শুরু হল প্রক্রিয়া। শুরুতেই আমরা প্রেসক্লাব নালিতাবাড়ীতে যোগদান করলাম। বাধা হয়ে দাড়াল আমার সেই পুরোনো সহকর্মীবৃন্দ। যা আমি কোনদিন প্রত্যাশা করিনি। সারা জীবনই করেছে। এখনও করেছে। অবাক হয়ে গেলাম। যখন সবাই আমরা একসাথে থাকবো । তখন এই থাকার বিষয়ে তারা আমার বিরোধীতা করছে। এটা আমি ভাবতেই পারিনি । অথচ এই প্রেসক্লাব গঠনে আমার ভূমিকা কি ছিল সেটা আমি আমার মুখ দিয়ে বলবো না। সিনিয়র সাংবাদিকরাই স্বাক্ষী। যারা এখন সাংবাদিক হয়েছেন। তারা সেদিন অনেকেই ছিলেন না।

তারপরও মুজিব বর্ষের এই সময়ে যখন প্রেসক্লাব ঘোষনায় সদস্য স্বীকৃতি আসলো । তখনও এক জটিল পথ তারা বেছে নিল। আমাদের সহ সকলকে তারা অস্বীকৃতি জানাল। দিনের শুরেুতেই আকাশ মেঘাচ্ছন্ন। সেই বিপথেই শুরু করলো যাত্রাপথ। এই বিদ্রোহী গ্রুপ সংগঠনের শৃংখল পথ কে পরিহার করে তারা সংগঠন বিরোধী কাজ সম্পাদন করলো । এটা কেমন মনের ও মানের কাজ হয়েছে সেটা সকলের বিবেকের কাছেই রেখে গেলাম।

এই ধরনের সংগঠন বিরোধী কাজ ও প্রচার সংগঠন কে সকলের কাছে ছোট করা, মান ক্ষুন্ন করা, বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা অপরাধের শামিল ও সংগঠন বর্হিভূত কাজ । এজন্য তাদের কে অবশ্যই জবাব দিহিতার জন্য আগামীর সময় ও গননাকালে অপেক্ষা করতে হবে শেষ শুনানীর জন্য ।

আমি তো চেয়েছিলাম, ভাল মন নিয়ে অনেককে সাথে নিয়ে অনেকটা পথ চলতে। সেটা হয়ে আর উঠলো না। পথ হয়ে উঠলো আরো জটিল......................।     

কথা আরো বলবো, তবে আজ চলে যাচ্ছি ..... কিন্তু যাচ্ছি না। আসবো আরো অনেক নতুন ও পুরাতন কথা নিয়ে পাঠকের মাঝে। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করতে হচ্ছে আমাদের এম এ হাকাম হীরা ভাই ও বিপ্লব দে কেটু দা কে তারা তাদের কথা রেখেছে সাংবিধানিক নিয়ম নীতি মেনেই অনেক ছোট চিন্তাকে দুরে ঠেলে নতুন কে স্বাগত জানিয়ে । সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকুন। 

 লেখক : সাংবাদিক ও কলামিষ্ট