ঢাকা   বৃহস্পতিবার ১৪ নভেম্বর ২০১৯ | ৩০ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

নালিতাবাড়ীতে অমি হত্যার প্রতিবাদে ও ফাসিঁর দাবীতে মানববন্ধন

Logo Missing
প্রকাশিত: 03:24:34 pm, 2019-11-09 |  দেখা হয়েছে: 102 বার।

নালিতাবাড়ী (শেরপুর) : বৃষ্টিতে ভিজে দুই সারিতে দাড়িয়ে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলা পরিষদের সামনে ৯ নভেম্বর শনিবার সকালে শিশু শিক্ষার্থী অমি হত্যার প্রতিবাদে ও ফাসিঁর দাবিতে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সচেতন নাগরিক সমাজের বেনার অমির মা ঝড়না বেগম ও বাবা আব্দুর রউফ খানের কান্নায় কেদেঁছে সবাই। সবার চোখে পানি। অমি নেই এটা মানতে পারছে না কেউ। স্কুলের সব শিক্ষার্থী আর এলাকাবাসীর প্রতিবাদী উপস্থিত মানবন্ধনে সবমানুষের বিবেককে নাড়া দিয়েছে। নির্মম, নৃশংস পৈশাসিক এই হত্যা কান্ডের ঘটনায় সকলেই হতবিহব্বল।

গত ২ নভেম্বর খেলার মাঠ থেকে নিখোঁজের পাঁচদিন পর পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আকিব ইসলাম খান অমি (১২) বস্তাবন্দী লাশ মিলে বাড়ির কাছের এক ধান ক্ষেতে। গত বুধবার অমির লাশ ময়না তদন্তের জন্য শেরপুর মর্গে পাঠায় পুলিশ। এদিকে এ খুনের ঘটনায় প্রতিবেশি আয়নাল হকের ছেলে প্রধান আসামী উমর আলী রাব্বি (১৮) কে ঘটনাস্থল থেকেই আটক করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ আরো ১০জনকে আটক করেছে। এদিকে ১৬৪ ধারা জবান বন্দিতে আদালতে অমি হত্যাকান্ড ও মুক্তিপন আদায়ের কথা স্বীকার করেছে রাব্বি।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে, শাহিন স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির মেধাবী ছাত্র আকিব ইসলাম খান অমি (১২) গত ২ নভেম্বর শনিবার বিকেলে বাড়ীর পাশে খেলতে গিয়ে আর ফিরে আসেনি। শহরে মাইকিং ও স্বজনদের বাড়িতে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও অমির কোন সন্ধান না পেয়ে নালিতাবাড়ী থানায় প্রথমে একটি সাধারন ডায়েরী ও পরে একটি মামলা করে তাঁর পরিবার। পরে মঙ্গলবার রাতে পুলিশ অভিযানে নেমে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে আটক করে। বুধবার সকালে পুলিশ আবার ওই এলাকায় চিরুণী অভিযান চালায়। বাড়ির অদূরেই একটি ধান ক্ষেতে বস্তাবন্দী অবস্থায় অমির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এদিকে প্রধান আসামীসহ পুলিশ ১০জনকে আটক করেছে। এরা হল, রাকিব হোসেন (২১), জসিম উদ্দিন (২৫), সিয়াম (২০), রজব আলী (৩৫), রেজউিল করিম (৩৮), মফিজুল (১৫), আঃ সালাম (৫৫), রিপন মিয়া (১৫), প্রধান আসামী উমর আলী রাব্বী ও তার মাতা উম্মে কুলছুম (৩৫)।
নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বছির আহমেদ বাদল জানায়, লাশটির গলায় নাইলনের রশি দিয়ে পেচানো ও রশি দিয়ে পা বাঁধা অবস্থায় ছিল। ধারণা করা হচ্ছে তাকে শ্বাস রুদ্ধকরে হত্যার পর বস্তাবন্দী করে লাশ ধান ক্ষেতে পুতে রাখা হয়। তবে কেন এ শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে তা উদঘাটন আরো বিশদ জানার জন্য পুলিশের বেশ কয়েকটি টিম মাঠে কাজ করছে। একই সাথে প্রধান খুনি রাব্বি মুক্তিপনের বিষয়েও মুখ খুলেছে। হত্যা মামলাটি বর্তমানে ডিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

 

Image Not Found!
Image Not Found!
Image Not Found!
Image Not Found!
Image Not Found!