ঢাকা   বৃহস্পতিবার ১৪ নভেম্বর ২০১৯ | ৩০ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

পুলিশ কর্মকর্তার ৪০ কেজি ইলিশ আটক করে এতিমখানায় দিল জনতা!

Logo Missing
প্রকাশিত: 05:37:50 pm, 2019-10-26 |  দেখা হয়েছে: 1 বার।

অনলাইন ডেস্ক::প্রায় ৪০ কেজি মা ইলিশ আটক করেছে স্থানীয় জনগণ। শরীয়তপুর-চাঁদপুর মহাসড়কের ভেদরগঞ্জ এলাকায় জিএস পরিবহন নামে একটি যাত্রীবাহী বাস থেকে বস্তাভর্তি এই ইলিশ আটকের ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে ডিএমখালী ইউনিয়নের কাশিমপুর এলাকার ঘটনা এটি।  

এ সময় ওই বাস ও স্টাফদের প্রায় ১ ঘণ্টা আটকে রাখে উত্তেজিত কয়েক শ জনতা। আটককৃত মাছগুলো চাঁদপুর জেলার নরসিংহপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ গিয়াসউদ্দিন মাদারীপুর নেয়ার জন্য তুলে দেন বলে জানিয়েছেন বাসের সুপারভাইজার সোহেল মিয়া।

এদিকে ঘটনার পর পরই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে নৌ-পুলিশ চাঁদপুর জোন। শুক্রবার বিষয়টি তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে আসেন নৌ-পুলিশের এএসপি ইসমাইল হোসেন।

জিএস পরিবহনের সুপারভাইজার সোহেল মিয়া বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম থেকে খুলনার উদ্দেশে ছেড়ে আসে জিএস পরিবহনের বাসটি। বাসটি চাঁদপুর-শরীয়তপুর ফেরিঘাট পারাপারকালে ফেরীটি মেঘনা নদীর মাঝখানে আসলে স্পিডবোটযোগে এসে মাছগুলো মাদারীপুরে নেয়ার জন্য বাসে তুলে দেন নরসিংহপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ গিয়াসউদ্দিন। এ সময় সুপারভাইজার মাছ নিতে অপরাগতা জানালেও ইনচার্জ গিয়াসউদ্দিন জোরপূর্বক মাছ তুলে দেন বলে অভিযোগ করেন সোহেল।

গিয়াসউদ্দিনের বাড়ি মাদারীপুর জেলায়। এছাড়া নরসিংহপুরে যোগদানের পর থেকেই ইনচার্জ গিয়াসউদ্দিন মা ইলিশ রক্ষা অভিযানে বিভিন্ন অনিয়ম শুরু করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় মেম্বার শরফুদ্দিন ঢালী ও অন্যান্যরা বলেন, মা ইলিশ বহনকারী জিএস পরিবহনের বাসটি কাশিমপুর এলাকায় আসলে স্থানীয় জনগণ বাসটি গতিরোধ করে। এ সময় বাসের স্টাফরা জানায় মাছগুলো নরসিংহপুর পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার গিয়াসউদ্দিনের। পরে যাত্রীবাহী বাস হওয়ায় মাছগুলো এতিমখানায় বিতরণ করে বাসটি ছেড়ে দেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আব্দুস সামাদ।

ভেদরগঞ্জ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ বলেন, ডিএমখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের ফোন পেয়ে রাতে ঘটনাস্থলে গিয়ে মাছগুলো উদ্ধার করি। এ সময় বাসের লোকজন জানায়, মাছগুলো নরসিংহপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির কোনো এক সদস্যের।

তবে নরসিংহপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ গিয়াসউদ্দিন বলেন, মাছগুলো আমার না। অন্য কোনো ব্যক্তি বাঁচার জন্য হয়তো আমার নাম বলেছে। আমি মাছের বিষয়ে কিছুই জানি না।

এ বিষয়ে নৌ-পুলিশ চাঁদপুর জোনের পুলিশ সুপার জমশের আলী বলেন, বিষয়টি আমরা তদন্ত করছি। তদন্ত শেষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

সুত্র/ভোরের পাতা

Image Not Found!
Image Not Found!
Image Not Found!
Image Not Found!
Image Not Found!