ঢাকা   শুক্রবার ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Image Not Found!

কেন্দুয়ায় বাঁশের সাঁকো পেয়ে খুশি এলাকাবাসী

Logo Missing
প্রকাশিত: 08:05:35 pm, 2019-07-06 |  দেখা হয়েছে: 2 বার।

 

কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) সংবাদদাতা : সূতি নদী। নদীটি দুই উপজেলার অর্ধশত গ্রামের মানুষকে পৃথক করে রেখেছে যুগের পর যুগ। উপজেলা দুটি হল ময়মনসিংহ বিভাগের নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলা ও ঢাকা বিভাগের কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইল উপজেলা। কেন্দুয়া উপজেলার মোজাফরপুর ইউনিয়নের গগডা ও তাড়াইল উপজেলার রাউতি ইউনিয়নের নগুয়া দাউদপুর নামক এলাকায় নদীটি দুই উপজেলাকে বিভক্ত করে বয়ে গেছে। নদী পারাপারের ব্যবস্থা না থাকায় ওই দুই উপজেলার অন্তত ছয়টি ইউনিয়নের লোকজনকে তাদের উৎপাদিত কৃষি ফসল ঘরে তুলতে হয় চরম দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে।
জরুরি প্রয়োজনে এলাকাবাসীকে নদী পারাপার করতে হয় সাঁতরে। এলাকার মানুষের এমন দুর্ভোগের চিত্র দেখে ওই নদীতে একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে দিয়েছেন কেন্দুয়া উপজেলার মোজাফরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূরে আলম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর চৌধুরী। গত বুধবার (৩ জুলাই) বিকালে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয় নবনির্মিত ওই সাঁকোটি। একপাড়ে কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল-ইমরান রুহুল ইসলাম এবং অপরপাড়ে তাড়াইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তারেক মাহমুদ ফিতা কেটে একই সময়ে সাঁকোর উদ্ধোধন করেন। এ সময় কেন্দুয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নুরুল ইসলাম, সাঁকো নির্মাণের উদ্যোক্তা ইউপি চেয়ারম্যান নূরে আলম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর চৌধুরী, তাড়াইল উপজেলার রাউতি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শরীফ উদ্দিন জুয়েল ও কেন্দুয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. সাইফুল ইসলামসহ দুই উপজেলার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাধারণ লোকজন উপস্থিত ছিলেন। সাঁকো উদ্বোধনের পর নদীতীরে স্থানীয় লোকজনের সাথে এক মতবিনিময় সভা করেন দুই উপজেলার ইউএনও। এদিকে দীর্ঘদিন পর বাঁশের সাঁকোর মাধ্যমে দুই উপজেলাবাসীর মধ্যে সংযোগ ঘটেছে। এতে বেশ আনন্দিত দুই উপজেলার লোকজন। তবে সাময়িকভাবে খুশি হলেও নদী তীরবর্তী বেশ কয়েকটি গ্রামের কৃষকসহ দুই উপজেলার বাসিন্দারা সূতি নদীর উপর স্থায়ী সেতু চান। তাদের দাবি, সরকার অচিরেই ওই নদীতে সেতু নির্মাণ করে দিয়ে দুই উপজেলার মানুষকে স্থায়ী সংযোগের আওতায় নিয়ে আসবেন। সাঁকো নির্মাণের উদ্যোক্তা ইউপি চেয়ারম্যান নূরে আলম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর চৌধুরী জানান, ইউনিয়ন পরিষদের ইজিপিপি প্রকল্পের (ননওয়েজ কস্ট) অর্থ দিয়ে লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে ২শ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১০ ফুট প্রস্থ বিশিষ্ট সাঁকোটি নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। বাঁশের সাঁকোর মাধ্যমে দুই উপজেলার লোকজনের সাময়িক সংযোগ করে দিতে পেরে এলাকাবাসীর দুর্ভোগ কিছুটা হলেও কমাতে পেরেছি। 
এ বিষয়ে কেন্দুয়া ও তাড়াইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল-ইমরান রুহুল ইসলাম ও তারেক মাহমুদ বলেন, সূতি নদীতে সাঁকোর জায়গায় একটি সেতু নির্মাণ করা খুবই জরুরি। সেতু নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন বলেও এলাকাবাসীকে আশ^স্ত করেন তারা। 

 

Image Not Found!
Image Not Found!
Image Not Found!
Image Not Found!
Image Not Found!